২৭ জুলাই ২০২৬ | ২৩:০০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় দেওয়া অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়ে ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম সাজিদ বলেছেন, ঘটনাটিকে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে। আজ রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

নিপীড়নের বিরুদ্ধে মশাল জ্বেলে গানে গানে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের আরও পড়ুন নিপীড়নের বিরুদ্ধে মশাল জ্বেলে গানে গানে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহিম সাজিদ বলেন, ‘২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ ছিল। পরে উভয়পক্ষের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে, তাই থানায় গিয়ে অভিযোগ প্রত্যাহার করেছি।’

অভিযোগ প্রত্যাহারপত্রে তিনি লেখেন, আমার অভিযোগকে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ‘ছিনতাই’ শব্দ যোগ করে মিডিয়া ট্রায়াল দিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করেছে। এ ছাড়া অভিযোগপত্রে অভি রহমান এবং হিরা রহমান সেসময় ঘটনা মীমাংসা করতে আসলেও না চেনার কারণে কিছু ব্যক্তির পরামর্শে তাদের নাম অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছিল। এটি বিব্রতকর অবস্থা তৈরি করেছে। সামাজিক পঞ্চায়েতে ঘটনা মীমাংসা হওয়ায় আমি অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ১৭ জুলাই আব্দুর রহিম সাজিদ আট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দিয়েছিলেন। অভিযোগপত্রে তিনি আট শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে লিখেছেন, ১৬ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আড্ডা দিতে গেলে সেখানে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে বাকবিতণ্ডা ঘটে। ঘটনার ধারাবাহিকতায় তিনি মারধরের শিকার হন। সেসময় কিছু সংবাদ মাধ্যমে ও ফেসবুকে ঘটনাটি ছিনতাই হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এ দিকে সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতা অভি রহমান বলেন, সংঘর্ষের সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। বন্ধুর ফোন পেয়ে সেখানে গিয়ে আহত সাজিদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দেই। কিন্তু পরের দিন থেকেই মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে আমাদের হেনস্তা করা হয়।

অভি রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাদিক কায়েম, এবি জুবায়ের ও হাসিব আল ইসলাম মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মারধরের ঘটনাকে ছিনতাইয়ের ঘটনায় রূপ দিয়েছেন।