১৬ জুলাই ২০২৬ | ১৬:২১

রান্নাঘরের পরিচিত মসলা তেজপাতা। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বৃদ্ধির জন্য এর জুড়ি মেলা ভার। এই পাতা ওষুধি গুণেও অনন্য। আর তাইতো আয়ুর্বেদে যুগ যুগ ধরে এই পাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মেঘলা দিনে যাদের মাথা ব্যথা করে, যাদের সর্দি-কাশি লেগেই থাকে তারা তেজপাতা ভেজানো পানি সেবন করতে পারেন। এমনটাই বলা হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম 'এই সময়'-এর একটি প্রতিবেদনে।

তদন্ত করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযানে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন আরও পড়ুন তদন্ত করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযানে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন

তেজপাতার পানি পান করলে যেসব উপকার মিলবে

পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েড এবং ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর তেজপাতা। এগুলো শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস প্রতিরোধ করে। এর ফলে শরীরের কোনো কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। এতে যেমন অকাল বার্ধক্য রোধ করা যায়, তেমনই ক্রনিক অসুখের ঝুঁকি কমে যায়। তেজপাতা প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরের প্রদাহ কমায় এবং কোষকে সুরক্ষিত রাখে।

বিজ্ঞাপন

বহু বছর ধরে হজমের সমস্যা দূর করতে আয়ুর্বেদে তেজপাতা ব্যবহৃত হচ্ছে। তেজপাতায় এমন এনজাইম রয়েছে, যা খাবারকে হজম হতে সাহায্য করে। এছাড়া তেজপাতা বদহজম, পেটফাঁপার মতো সমস্যা দূর করে। বদহজমের কারণে যে পেটব্যথা হয়, তাও কমায় তেজপাতা। এক্ষেত্রে তেজপাতার পানি পান করতে পারেন।

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, তেলপাতা ইনসুলিন ও গ্লুকোজ মেটাবলিজ়মের উপর প্রভাব ফেলে। বিশেষত টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই পাতা। ডায়াবেটিসে স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল মেনে চলার পাশাপাশি যদি তেজপাতার পানি পান করেন, তাহলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

তেজপাতায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী। এগুলো রক্তনালিতে ফ্যাট জমতে দেয় না, খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং শরীরে রক্ত চলাচল সচল রাখে। আর তেজপাতায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহ কমায়। সব মিলিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।

তেজপাতা ইমিউনিটি বুস্টারের কাজ করে। ভিটামিন এ, ভিটামিন সি-সহ তেজপাতায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান রয়েছে। এগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষত ঋতু বদলের সময়ে ভাইরাস গঠিত সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে। তাই সর্দি-কাশির সমস্যায় তেজপাতা ফোটানো পানি পান করতে পারেন।