চিকিৎসকেরা বলছেন, এতে দ্রুত সাপের ধরন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ছবি: সমকাল

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

তদন্ত করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযানে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন আরও পড়ুন তদন্ত করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযানে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬ | ১১:১৯

সাপে কাটার পর বিষধর সাপটিও সঙ্গে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেছেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার এক যুবক। চিকিৎসকেরা বলছেন, এতে দ্রুত সাপের ধরন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার রাতে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবকের নাম নাজমুল (২০)। তিনি উপজেলার শালবাহান শংকরপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।

নাজমুলের চাচা শহিদুল ইসলাম বলেন, 'পুকুরে মাছ ধরার সময় সাপে কাটার পর আমরা দেরি না করে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসকরা যেন বুঝতে পারেন কী ধরনের সাপ কামড়েছে এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে পারেন, তাই সাপটিকেও সঙ্গে নিয়ে এসেছি।'

তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. বাপ্পি আহম্মেদ বলেন, রোগী দ্রুত হাসপাতালে আসায় এবং সঙ্গে সাপটি নিয়ে আসায় সাপের ধরন শনাক্ত করা ও চিকিৎসা দেওয়া সহজ হয়েছে। বর্তমানে নাজমুল হাসপাতালে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, সাপে কাটলে ওঝা বা কবিরাজের কাছে না গিয়ে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে। সম্ভব হলে নিরাপদ উপায়ে সাপটির ছবি বা মৃত সাপ সঙ্গে নিয়ে গেলে চিকিৎসা নির্ধারণে তা সহায়ক হতে পারে। তবে সাপ ধরতে বা মারতে গিয়ে নতুন করে ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়।