কালের কণ্ঠ পত্রিকার সংবাদ - ৪ আগস্টেই শেখ হাসিনা বুঝতে পারেন সময় শেষ। খবরে বলা হয়েছে, প্রবল আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁর সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে এসেছে।

তিনি দেশত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার এক দিন আগে, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট। বিষয়টি তাঁর মন্ত্রিসভা ও দলের আস্থাভাজনদের জানালেও গোপন রাখতে বলেন। বিপদ বুঝতে পেরে অনেকেই তখন দেশ ছেড়ে পালান।

আজ রাতেই অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন নাহিদ, আগে যাচ্ছেন তাসকিনও আরও পড়ুন আজ রাতেই অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন নাহিদ, আগে যাচ্ছেন তাসকিনও

এরপর ৫ আগস্ট জনরোষ থেকে বাঁচতে শেখ হাসিনাও ইমিগ্রেশন না করে কার্যত পালিয়ে যান।

অবৈধভাবে দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের প্রচলিত পাঁচটি আইন লঙ্ঘন করেছেন বলে দাবি করেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞাপন

এ জন্য ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়েও জানানো হয়েছে। তদন্ত সংস্থা ও সরকারের একাধিক সূত্র কালের কণ্ঠকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শেখ হাসিনাসহ বিদেশে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করার চেষ্টা চালাচ্ছে বর্তমান সরকার।

End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন

আজকের পত্রিকার খবর- বেনজীরকে ফেরত দিতে রাজি দুবাই, চার বিষয়ে ব্যাখ্যা চায়।

খবরে বলা হয়েছে, দুর্নীতির মামলায় দুবাইয়ে আটক সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ।

তবে প্রত্যর্পণের আইনি ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পর্কে চারটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি পাঠিয়েছে তারা।

চিঠিটি পাঁচ দিন আগে বাংলাদেশে পৌঁছেছে।

বর্তমানে দুদক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখা যৌথভাবে এর জবাব প্রস্তুত করছে।

কর্মকর্তাদের মতে, দুবাই পুলিশের এই পদক্ষেপ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় একটি ইতিবাচক অগ্রগতি।

দুবাই কর্তৃপক্ষ জানতে চেয়েছে, বাংলাদেশ কোন আইনের আওতায় ও কী প্রক্রিয়ায় বেনজীরকে ফেরত নিতে চায়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আন্তর্জাতিক আইনি ভিত্তি কী, এর কার্যকারিতা কতটুকু এবং পুরো প্রক্রিয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে কেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বয় করছে।

বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকায় এসব ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের কারাগারে আটক রয়েছেন।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Nat'l unity sought for July charter implementation অর্থাৎ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন ও বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা।

রোববার ঢাকায় পৃথক দুটি আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান দেশে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ তৈরি করেছে।

তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ ও ১৯৭২ সালের সংবিধানের মধ্যে মৌলিক কোনো বিরোধ নেই। তাই সনদ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Rohingya crisis deepens but global focus shifts অর্থাৎ রোহিঙ্গা সংকট আরও গভীর, তবে কমছে বিশ্বের নজর।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ অন্যদিকে সরে যাওয়ায় কমছে বৈশ্বিক সহায়তা।

এতে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোর ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

গত দুই বছরে প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা নতুন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবছর শিবিরগুলোতে জন্ম নিচ্ছে প্রায় ৩০ হাজার শিশু।

বর্তমানে কক্সবাজারে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫০ থেকে ৬০ জন নতুন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

এরই মধ্যে ভারী বর্ষণ, ভূমিধস ও বন্যায় শিবিরগুলোতে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা বাড়ায় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের ওপর মানবিক ও অর্থনৈতিক চাপ আরও বেড়ে চলেছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- পাসপোর্টে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি। এ খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্টে যুক্ত করা হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি।

গতকাল রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পাসপোর্টের ভেতরের পাতার জলছাপ পরিবর্তন করে সেখানে যুক্ত করা হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি।

নতুন এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে পাসপোর্টের পৃষ্ঠাগুলোতে দেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের নানা অনুষঙ্গ যুক্ত করা হয়েছে।

এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ই-পাসপোর্টের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পৃষ্ঠায় জলছাপ হিসেবে যুক্ত থাকবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি।

তরুণদের আত্মত্যাগের সেই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক মুহূর্তটি এবার ঠাঁই পাচ্ছে বাংলাদেশের নাগরিকদের আন্তর্জাতিক এই ভ্রমণনথিতে।

অনুমোদিত নতুন নকশা অনুযায়ী, পাসপোর্টের বিভিন্ন পৃষ্ঠায় জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার, জাতীয় সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্টের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে কান্তজিউ মন্দির, লালবাগ দুর্গ, পানামনগর ও কার্জন হলের মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা।

তাছাড়া প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঝাউবনসহ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত, সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর ও নীলগিরির ছবি জলছাপ হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

জাতীয় ফুল শাপলা, পাখি দোয়েল, মাছ ইলিশ ও ফল কাঁঠালের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত চিত্রকর্ম সংগ্রাম।

টাইমস অফ বাংলদেশ পত্রিকার খব