দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।

এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়ার পর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে ফেলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

তদন্ত করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযানে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন আরও পড়ুন তদন্ত করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযানে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন

মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ সিদ্ধান্তের পাশাপাশি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে আসছেন তা নিয়ে এখন রাজনীতির মাঠ সরগরম।

এক্ষেত্রে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির নাম জোরালভাবে শোনা যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তবে সরকার বা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কেউ বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করছেন না।

তারা বলছেন, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনেকগুলো সমীকরণ মাথায় রেখেই তিনি সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা নিয়ে মন্তব্য করতে না চাইলেও সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও বিএনপির একাধিক নেতা জানান, সরকারি চাকরিজীবী কাউকে রাষ্ট্রপতি করার পক্ষে নন তারা। দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্য থেকে কাউকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

সংবিধানের আলোকে বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন কি না জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, "সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি চাকরিবিষয়ক যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার ক্ষেত্রে সেটি নেই।"

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— President set to resign after Speaker's return; অর্থাৎ স্পিকার আজ দেশে ফিরলে পদত্যাগপত্র দিতে পারেন রাষ্ট্রপতি।

এই খবরে বলা হয়েছে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিদেশ থেকে ফিরলেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন। আজ শুক্রবার হাফিজ উদ্দিনের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডেইলি স্টারের সঙ্গে ফোনে কথা হয় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের। পদত্যাগ করছেন কি না, জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বলেন, "দেখতে পাবেন...প্রশ্নটা বিব্রতকর।"

বঙ্গভবনের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এটি সত্য। তবে কবে পদত্যাগ করবেন, তা অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। বর্তমানে স্পিকার দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি দেশে এলে তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া রয়েছে।

বঙ্গভবনের আরেকটি সূত্র জানায়, স্পিকার দেশে ফেরার পর শুক্রবারই তার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হবে। সময় পাওয়া গেলে সন্ধ্যার মধ্যেই তার কাছে পদত্যাগপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে।

এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

এদিকে, চিকিৎসার জন্য বর্তমানে থাইল্যান্ডে থাকা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই শুক্রবার দুপুরে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরছেন।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— তীব্র জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশের শিশুরা।

খবরটিতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে আছে যেসব দেশের শিশুরা, তাদের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ।

জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

সম্প্রতি ইউনিসেফ প্রকাশিত 'চিলড্রেন'স ক্লাইমেট রিস্ক রিপোর্ট ২০২৬' শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নদীপ্লাবিত ও সমুদ্র-উপকূলবর্তী বন্যা, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, খরা, বায়ুদূষণ— জলবায়ু পরিবর্তনজনিত এসব বহুমাত্রিক ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের শিশুরা।

নদীতীরবর্তী বন্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এক্ষেত্রে ইউনিসেফের ঝুঁকির স্কোর দশে বাংলাদেশের স্কোর দশ।

দেশের ৫০ শতাংশের বেশি শিশু এমন এলাকায় বসবাস করে, যেখানে নদীপ্লাবিত বন্যার আশঙ্কা প্রবল। ফলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, নিরাপদ পানি ও সুরক্ষাসহ শিশুদের মৌলিক অধিকার হুমকির মুখে পড়ছে।

বাংলাদেশে প্রায় ছয় কোটি শিশু অন্তত একটি জলবায়ুজনিত ঝুঁকিতে রয়েছে। বন্যা, খরা ও ঘূর্ণিঝড়— এ তিনটি দুর্যোগের সম্মিলিত প্রভাবে দেশের দুই কোটি ৪০ লাখেরও বেশি শিশু সরাসরি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

সবচেয়ে বেশিসংখ্যক, ছয় কোটি শিশু খরা ও বায়ুদূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ শিশু। একইভাবে নদীসংলগ্ন বন্যার কারণে প্রায় তিন কোটি ২০ লাখ শিশু সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।

End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান খবর— ICT prosecution in focus: Tamim remains as bribery probe drags on; অর্থাৎ ঘুষের তদন্ত চলছে, পদে বহাল প্রসিকিউটর তামিম।

এই খবরে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি বহুল আলোচিত মামলায় ঘুষের বিনিময়ে এক আসামিকে রাজসাক্ষী করার অভিযোগ তদন্তে গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি চার মাস পার হলেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

এ সময়ের মধ্যে অভিযোগের মুখে থাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম প্রসিকিউশন টিমে বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখেছেন।

গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রথম প্রকাশ্যে আনেন আরেক প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ।

তিনি তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, আশুলিয়ায় সাতজনকে হত্যা ও পাঁচটি মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি, পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক শেখ আবজালুল হকের স্ত্রী এক সন্ধ্যায় ভারী ব্যাগ নিয়ে প্রসিকিউটর তামিমের কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন।

তার দাবি, বিষয়টি তখনকার চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সুলতান মাহমুদের অভিযোগ অনুযায়ী, তামিম পরে সবার সামনে স্বীকার করেছিলেন আবজালের স্ত্রী তার কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন। পরবর্তীতে আবজালকে রাজসাক্ষী করা