বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন বলে বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এ বিষয়ে বিকাল পাঁচটায় সংসদ ভবনে একটি সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের একাধিক সূত্র এই খবর নিশ্চিত করেছে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
"“গুরুতর অসুস্থ” এই কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
আরও পড়ুন
একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন
তিনি আজ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, "আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে।"
"এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।"
তিনি আরও লিখেন “এমতাবস্থায়, সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।”
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
রাষ্ট্রপতি নিজেকে “গুরুতর অসুস্থ” দাবি করে পদত্যাগ করেছেন বলেও তিনি জানান।
জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) তার ছাত্রছাত্রী
এবং শিক্ষাবিদদের দিল্লির যন্তর মন্তর বা তার আশেপাশে আয়োজিত যেকোনো সমাবেশে যোগ না দেওয়ার
পরামর্শ দিয়েছে। এর আগে
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ও শিক্ষার্থীদের একই কথা জানিয়েছিল।
জেএনইউ-এর তরফে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ জানানো
হয়েছে , “জেএনইউ-এর শিক্ষাঙ্গনের সকল সদস্যকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে
এবং নিজেদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। গণবিক্ষোভ
সংক্রান্ত ভারতের মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আপনাদের
নয়া দিল্লির যন্তর মন্তর বা তার আশেপাশে কোনো ধরনের সমাবেশে
যোগদান করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।”
“দায়িত্বের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করুন। এর লঙ্ঘন প্রযোজ্য আইন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণবিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক
ব্যবস্থা গ্রহণের কারণ হতে পারে। এছাড়াও আপনাদের কাছ থেকে
শিক্ষাগত দায়িত্ববোধ এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের মূল্যবোধ মেনে চলার প্রত্যাশা রয়েছে।”
এর আগে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় সেখানকার
ছাত্রছাত্রীদের যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে বলেছিল। এই
নির্দেশের পর, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেন যে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের 'হুমকি' দিতে পারে না।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন বলে বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছে।
মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পেশ করার জন্য আজ শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে বঙ্গভবন থেকে কয়েকজন কর্মকর্তা জাতীয় সংসদের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে ওই কর্মকর্তারা স্পিকারের কাছে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্র পেশ করবেন।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার।
এ ব্যাপারে বিকেল পাঁচটায় সংসদে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
যদিও বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিনের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে। অর্থাৎ, তার মেয়াদের আরও প্রায় এক বছর নয় মাস বাকি ছিল।
২০২৩ সালের ২৪শে এপ্রিল, তিন বছর তিন মাস আগে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে দেখা করার পর 'ককরোচ জনতা পার্টির' নেতারা জানিয়েছেন, তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি থেকে সরে আসবেন না।
পাশাপাশি, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর যে সমস্ত শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিল, তাদের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও তোলা হয়েছে। একইসঙ্গে আন্দোনের সঙ্গে যুক্ত যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তাও প্রত্যাহার আবেদন করা হয়েছে সরকারের কাছে।
শুক্রবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে সরকারের দুই শীর্ষ মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই প্রতিনিধি।
শনিবার দুই পক্ষের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা।
সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেছেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ বা তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ ছাড়া অন্য কিছু মেনে নেওয়া হবে না।”
তিনি দাবি করেন অন্য দুটি শর্ত মেনে নিলেও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে শনিবার জানানো হবে বলে মন্ত্রীরা তাদের জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে সরকার কাল দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে। আমরা আশা করব সরকার তাকে সরিয়ে দেবে।”
অন্যদিকে, সিজেপির সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় দুই ঘণ্টার বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন, “আমরা তাদের দাবিগুলো শুনেছি এবং জানিয়েছি যে আমরা এই নিয়ে আবার কথা বলব।"
শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস অভিযোগ করেন যে, দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরের আশেপাশে বিক্ষোভকারী, স্বেচ্ছাসেবক এবং এমনকি আইনজীবীদেরও আটক করছে।
তিনি বলেন, “এই বিষয়টা সরকারের কাছে উত্থাপন করা হলে, সরকার প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করলেও প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দিয়েছে যে, এমন ঘটে থাকলে তা বন্ধ করার জন্য দিল্লি পুলিশকে যথাযথ নির্দেশ দেওয়া হবে।”
আরো পড়তে পারতে পারেন: সোনাম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙাকে কীভাবে দেখা হচ্ছে
ককরোচ পার্টির আন্দোলন কি মোদী সরকারের জন্য 'বিপদঘণ্টা'?
ভারতের রাজনীতিতে 'ককরোচ জনতা পার্