আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষকে যুক্তরাষ্ট্রে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করার খবরটি গত বুধবার ভিত্তিহীন বলে অস্বীকার করেছেন দেশটির ফুটবলের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তবে অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত তৃতীয় একটি পক্ষের বিরুদ্ধে মার্কিন তদন্তের কথা স্বীকার করেছে এএফএ।

সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছিল, রোববার বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হারের পর জাতীয় দলের সঙ্গে বিমানে দেশে ফেরার আগে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে এএফএ সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া ও কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোকে আটক করা হয়। এসব প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এএফএ এই বিবৃতি জারি করে।খবর বের হয়, এএফএর আন্তর্জাতিক চুক্তি–সম্পর্কিত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের আটক করে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এবং তাঁদের ইলেকট্রনিক ডিভাইসও জব্দ করা হয়। এরপর তাঁদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

আজ রাতেই অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন নাহিদ, আগে যাচ্ছেন তাসকিনও আরও পড়ুন আজ রাতেই অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন নাহিদ, আগে যাচ্ছেন তাসকিনও

তবে বিবৃতিতে এসব দাবিকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে এএফএ। সংস্থাটির একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছে, ‘পুরো খবরই মিথ্যা।’ তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই।

এএফএ স্বীকার করেছে, ফ্লোরিডার ডিস্ট্রিক্ট আদালত ‘তৃতীয় একটি পক্ষকে’ লক্ষ্য করে সমন জারি করেছেন। সংস্থাটি জানায়, ওই ব্যক্তিকে ‘গ্র্যান্ড জুরির সামনে হাজির হয়ে ফুটবল ফেডারেশনের কয়েকজন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো নথি ও যোগাযোগের তথ্য উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে’।

বিজ্ঞাপন

২০১৭ সাল থেকে এএফএর নেতৃত্বে রয়েছেন ক্লদিও তাপিয়া। আর্জেন্টিনাতেও একাধিক তদন্তের মুখোমুখি হয়েছে এএফএ। মানি লন্ডারিং ও কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত চলছে এএফএর বিরুদ্ধে।

সাবেক ট্রেড ইউনিয়ন নেতা তাপিয়ার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার উগ্র ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই প্রশাসনের সঙ্গে এএফএর সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। দেশজুড়ে ক্লাবগুলোকে বেসরকারীকরণের যে ইচ্ছা রয়েছে মিলেইয়ের, তার তীব্র বিরোধিতা করছেন তাপিয়া।