এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে যারা আন্দোলন করছে "তারা অনেকে ছাত্রই না, পরীক্ষার্থী না" বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বলেছে বুধবার রাতে ইরানের একাধিক স্থানে ছয় ঘণ্টা ধরে হামলা চালিয়েছে তারা। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়…

ছবির উৎস, Karen Kasmauski via Getty Images

নিপীড়নের বিরুদ্ধে মশাল জ্বেলে গানে গানে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের আরও পড়ুন নিপীড়নের বিরুদ্ধে মশাল জ্বেলে গানে গানে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের

বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশু মারা গেছে।

এই সময়ের মাঝে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৭৪ ও নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৯৭।

বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৬৮৪ শিশুর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এছাড়া, নিশ্চিতভাবে হামে মারা গেছে ৯৫ শিশু।

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে যারা আন্দোলন করছে "তারা অনেকে ছাত্রই না, পরীক্ষার্থী না" বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "সরকারকে বিব্রত করতে চায় এমন কিছু মহল তো আছেই। তারা বিভিন্ন ইস্যুতে নিজেদের পরিচয়

গোপন করে একটু ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।"

তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে ও সরকারকে জানিয়েছে এবং এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে যে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তাদের চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সাথে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

আর পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ভুল থাকার পেছনে দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ওই প্রশ্ন দু'টির নম্বরও দেওয়া হবে- বলেন মন্ত্রী।

"একটি মন্তব্যের কারণে অনেকে দুঃখ পেয়েছেন। সেজন্য শিক্ষামন্ত্রী সংসদে তার বক্তৃতায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন।"

যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণের পরও আন্দোলন চালানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে কিছু মহল এটা করছে এবং "সেটা দৃশ্যমান হয়েছে। যারা আন্দোলন করছে তারা অনেকে ছাত্রই না, পরীক্ষার্থী না।"

"এই ট্রেন্ডটা ইন্টেরিম সরকারের সময় দেখা গিয়েছে যে সচিবালয়ে গিয়ে পরীক্ষা

স্থগিত করা বা বিনা পরীক্ষায় পাশের ঘোষণা নেওয়া। এসব অপকালচার তখন দেখা গিয়েছে।

তারা হয়তো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি যে কারণে সেই প্রবণতা এখনও দেখা যাচ্ছে। তবে

শিক্ষার মান ক্ষুণ্ন হোক এমন কোনো বিষয় আমরা অ্যালাউ করবো না," বলেন তিনি।

এদিকে, বাংলাদেশের সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, "শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য এক্সট্রাডিকশন চুক্তি অনুযায়ী (পত্র দিয়েছি), ইন্টেরিম সরকারের সময়েও পত্র দেওয়া হয়েছে ভারত সরকারের কাছে, এরপর আমরা তাগাদাও দিয়েছি। আমরা তো তাকে ফেরত চাই।"

"তিনি বিচারের মুখোমুখি হোক। ইতোমধ্যে যেহেতু তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, আদালতে তার আত্মসমর্পণের সুযোগ আছে কি না, সেটা আইনজ্ঞরাই বলবেন। তবে দেশে ফিরলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাকে গ্রেফতার করা হবে এবং রায় কার্যকরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি আপিল করার সুযোগ থাকে, সেটা আইন-আদালত বুঝবে। তখন আপিলের সুযোগ থাকলে আপিল হবে," বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

শেখ হাসিনা আইনি প্রক্রিয়ার ফেরত আসুন বলেও মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মিয়ানমার উপকূলে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিয়ে দুটি নৌকা ডুবে যাওয়ার খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।

আইওএম-এর একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নৌকা দুটি যাত্রা শুরু করে এবং নৌকার বেশিরভাগ যাত্রীই ছিলেন রোহিঙ্গা। তাদের মাঝে বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে যাওয়া কিছু মানুষও ছিলেন বলে জানা গেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এর মধ্যে একটি নৌকায় যাত্রী ছিল প্রায় ২৫০ জন, যা যাত্রা শুরুর পরপরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্যটিতে ছিল প্রায় ২৮০ জন এবং সেটি গত আটই জুলাই মিয়ানমারের ইরাবতী উপকূলে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যদিও নৌকাডুবির ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবুও সম্ভাব্য বিপুল প্রাণহানির আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইওএম ও ইউএনএইচসিআর।

দুই সংস্থা বলছে, বছরের এ সময়ে সাধারণত সমুদ্র বেশি উত্তাল থাকায় নৌপথে যাতায়াত করাটা ঝুঁকিপূর্ণ। তার ওপর সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।

যদি নৌকাডুবির এই ঘটনা দু'টো সত্যিই ঘটে থাকে, তাহলে চলতি বছর আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ বা প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮০০-তে পৌঁছাবে।

এর মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষণা করেছে যে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য সৌদি আরবের কাছে প্রায় ১.৯৬ বিলিয়ন বা ১৯৬ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ক্রমেই বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, “এই বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা লক্ষ্যকে সমর্থন করে, কারণ এর মাধ্যমে নেটোভুক্ত নয় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশের নিরাপত্তা জোরদার হবে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

দপ্তরটি আরও জানিয়েছে, সৌদি আরবের জন্য প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় বিমান থেকে আকাশে এবং বিমান থেকে ভূ-পৃষ্ঠে পরিচালিত অভিযানে ব্যবহারের জন্য 'অ্যাডভান্সড প্রিসিশন উইপন সিস্টেম'-এর সর্বোচ্চ ২০ হাজার গাইডেন্স ইউনিট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর পাশাপাশি থাকবে লঞ্চার, ওয়ারহেড, খুচরা যন্ত্রাংশ, প্রশিক্ষণ এবং